Tuesday, December 31, 2019

মেয়েদের মাথার আয়তন ছেলেদের থেকে কম, বুদ্ধিও কি কম? গণিতবিদ এলিচ লি

উনবিংশ শতাব্দীতে একাডেমিয়াতে মেয়েদেরকে অনেক তুচ্ছ-তাচ্ছিল্ল করা হত। বিভিন্ন কথা বলা হত। যেমন মেয়েরা শারীরিক ও মানশিকভাবে দুর্বল, তারা কিচ্ছু করতে পারবে না। কারন গবেষণা করতে মাথা লাগে। যা মেয়েদের নেয়।ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের মাথা যেহেতু আকারে ছোট তাই তাঁদের মাথায় মগজ ও বুদ্ধি দুটোই কম, ইত্যাদি ইত্যাদি।

তখনকার এই ধারনা সবার মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। আর এরই মাঝখানে একজন নারী গণিতবিদ এলিচ লি এই ধারনা মিথ্যা প্রমানিত করতে কিছু পরীক্ষা হাতে নিলেন। 

তিনি তিনটি দল পরীক্ষা করেছিলেন - বেডফোর্ড কলেজের মহিলা শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পুরুষ অনুষদ এবং কনফারেন্সে আসা বিশিষ্ট পুরুষ অ্যানাটমিস্টের মাথাসমীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে মাথার খুলির আকার এবং বুদ্ধিমত্তার মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। একটি সূত্রের মাধ্যমে লি শারীরিক পরিমাপ থেকে ক্র্যানিয়াল ক্ষমতা গণনা করে। ১৮৯৯ সালে গবেষণামূলক কাজটি সম্পূর্ণ হয়েছিল এবং অনুসন্ধানগুলি যথেষ্ট বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। এটি তখন ক্র্যানোলজিতে একটি স্বীকৃত তত্ত্ব ছিল যা মস্তিস্কের শক্তি আকারের সাথে বৃদ্ধি পায়, তাই খুলির আকার ছিল মানসিক ক্ষমতা একটি পরিমাপ। ফলস্বরূপ এটি বিশ্বাস করা হয়েছিল যে পুরুষদের সাধারণত মহিলাদের চেয়ে বড় মাথা তাই, তারা মানসিকভাবে উন্নত ছিল। লির অনুসন্ধানগুলি সেই বিশ্বাসের উপর সন্দেহকে বাড়িয়ে দিয়েছে। লি'র অধ্যয়ন তাঁর থিসিস পরীক্ষার্থীদের এবং ইউজিনিস্টবিদ ফ্রান্সিস গ্যাল্টন যথেষ্ট সমালোচনা করেছিল, যিনি তাঁর কাজের মৌলিকত্ব এবং বৈজ্ঞানিক গুণকে প্রশ্ন করেছিলেন। তাঁর বস পিয়ারসনের হস্তক্ষেপের মধ্য দিয়েই শেষ পর্যন্ত ১৯০১ সালে লি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। পরের বছর পিয়ারসন দুটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন যা লির গবেষণার অনুসন্ধানে সমালোচিত সমালোচনার জবাব দেয়। কার্যকর চ্যালেঞ্জ না থাকায় এই কাজটি শীঘ্রই গৃহীত হয়েছিল।

https://en.wikipedia.org/wiki/Alice_Lee_(mathematician)

Saturday, December 21, 2019

১৮/১২/২০১৯

ইয়াসির কাদি র একটি লেকচার শুনলাম। তিনি বলার চেষ্টা করেছেন যে এভুলুশন থিউরির পুরোটা মিথ্যা নয়। বা মুসলিম রা ইভুলুশান অস্বীকার করতে গিয়ে এর অনেক বিষয় যেগুলো সত্য তা অস্বীকার করে ফেলে। যেমন প্রাক্রতিক নিরবাচন, ডাইনোসর বা প্রাণীকুলের মধ্যে যে সামাঞ্জস্য আছে, ইত্যাদি।

তবে হ্যাঁ, আদম আঃ কে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, এবং তা থেকে সমগ্র উম্মাহ ছড়িয়ে দিয়েছেন তা আমরা বিশ্বাস করি। কারন কোরআন তা এক্সপ্লিসিটলি বলেছে, তাই।

তাই তিনি একটা মধ্যম পন্থা বের করেছেন তা হল এই>
আল্লাহ তাঁর  সৃষ্টির ক্রমবিকাশের কোন এক পর্যায়ে আদমকে প্রাণীকুলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।



২০/১২/২০১৯

আজকে একটি লেকচার দেখলাম মাসুদ জাকারিয়ার  সংহতি নিয়ে। তিনি এবনে খালেদুন এর রাজনৈতিক চিন্তা বিষয়ের গবেষক। তিনি মূলত রাজনৈতিক সংহতি নিয়ে আলোচনাটা করেছেন।

সংহতি এর মানে  soliderity. অন্যভাবে বললে বলা যায় একতা। কমন কিছু বিষয়ে একমত, একত্র হওয়া হওয়া। কমন শত্রুর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে এক হওয়া।

আমরা কোন না কোন ভাবে মুক্তি চাই।

আরও শিখলাম>

সমাজ এর উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে> প্রয়োজন মিটানো

রাষ্ট্র হচ্ছে> চৌকিদার, অধিকার মিটানো, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা

ধর্ম> কোনটি সঠিক কোনটি ভুল তা সিদ্ধান্ত নেয়া।

আইডিওলজি যখন ফ্যানাটিক হয় তখন তা ন্যায়বিচারকে ভুলন্ঠিত করে।

সমাজ, ধর্ম, রাষ্ট্র তিনটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওভারল্যাপ করে। আর সেটাই হচ্ছে আমাদের এগিয়ে চলার লক্ষ্য বা পারফেকশন, মুক্তি।